September 22, 2021
5 strongest Muslim countries in the world-

5 strongest Muslim countries in the world-বিশ্বের ৫ টি শক্তিশালী মুসলিম দেশ

বিশ্বের ৫ টি শক্তিশালী মুসলিম দেশ

হ্যালো বন্ধুরা আপনারা হয়তো জানেন এক সময় এই পুরো পৃথিবী মুসলিমরা শাষন করত। কিন্তু এখন আর মুসলিমদের সেই দাপট নেই । বলা হয় আগের দিন বাঘে খাইছে। কারন সারা বিশ্ব শাষন করা মুসলিম দেশ গুলো এখন আর শক্তি ধর দেশ গুলোর তালিকায় নেই ।পৃথিবীর সেরা শক্তি ধর দেশ গুলোর মধ্যে রয়েছে আমেরিকা,রাশিয়া,ভারত, চীন,ফ্রান্স,জাপান,কোরিয়া, এর মধ্যে কোনো টিই মুসলিম দেশ নয় । তার পর পৃথিবীতে এখন এমন শক্তিধর মসলিন দেশ রয়েছে যাদের দিকে চোখ তুলে তাকানর আগে সময়ের সেরা  শক্তিকে ১০০ বার ভাবতে হয় । 5 strongest Muslim countries in the world.

তো বন্ধুরা আজকের পোস্ট এ আমরা শুনতে চলেছি বিশ্বের ৫ টি শক্তিশালী মুসলিম দেশ সম্পকের ।
এটা ২০০২১ সালের তালিকা অনুযায়ী করা হয়েছে । তাই আপনার জানা তথ্যের সাথে এটা নাও মিলতে পারে। তো চলুন আলোচনা শুরু করা যাক ।

তুরস্ক,

5 strongest Muslim countries in the world

তুরস্ক, মুসলিম শক্তি ধর দেশ গুলোর মধ্যে ১ নম্বর পজিশনে রয়েছে তুরস্ক। সময় সেরা মুসলিম নেতা এরদোগান ক্ষমতায় আসার পর থেকে তুরস্ক অনেক বেশি এগিয়ে চলেছে। সামরিক শক্তিতে মুসলিমদের এগিয়ে রাখতে টাকা খরচে কখনো পিছ পা হননি এরদোগান।

বিগত কয়েক বছরে সামরিক শক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে এরদোগান সরকার। তারা নিজের দেশেই বিমান,ডোন, ট্রাঙ্ক,হেলিকপ্টার তৈরী করতে পারেন। এর সাথে বিভিন্ন রকম মিসাইল তৈরী করছে তুরস্ক।

তুরস্ক আমেরিকার নিউক্লিয়ার পাওয়ার শেয়ারের সাথে যুক্ত আছে। ফলে তুরস্কের কাছে পারমানবিক বোমা আছে কিন্তু তারা তা শিকার করে না ।তবে সম্পতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান নিজ দেশে নিজ প্রযুক্তিতে পারমানবিক বোমা তৈরির ইঙ্গিত দিয়েছে । এ সব কিছু ছাড়া ও সম্পাতি বছর গুলোতে তুরস্ক রাশিয়া কিংবা ফ্রান্স এর

মতো সুপার পাওয়ার দেড় সাথে টেক্কা দিচ্ছে । অতীতে তুরস্ক অটোমান বা ওসমানী সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল । মূলত এর কারণে তারা সামরিক শক্তিতে এতো সমৃদ্ধ ছিল । ২০২১ এর রেঙ্ক অনুসারে গুটা বিশ্বের সামরিক শক্তি ধর দেশ গুলোর মধ্যে তুরস্ক এগারো নাম্বারে রয়েছে । বর্তমানে তুরস্কের সেনা বাহিনী সংখ্যা ৩৫৫০০০ হাজার ।

এসব ছাড়া ও তাদের রিজার্ভে সেনা রয়েছে ৩৮০০০০ হাজার । তুরস্কের হাতে ট্রাঙ্ক রয়েছে ২৬০০ টি । এবং তুরস্কের ১০০০ হাজার যুদ্ধ বিমান রয়েছে । তবে তুরস্কের শক্তির উন্নতম জায়গা হচ্ছে তাদের এট্রাক্ট ডোন গুলো ।১২০ টি রে বেশি এট্রাক্ট ডোন রয়েছে তুরষ্কের ।তুরস্কের মোট সাবমেরিন সংখ্যা ১২ টি আরো ৬টি নিউক্লিয়াস সাবমেরিন তুরস্কেরর নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে খুব তারা তারই ।

মূলত তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল এর কারনে তারা এত এগিয়ে গেছে । তুরস্কের এই উন্নতির পেছনে প্রেসিডেন্ট এরদোগান এর ভূমিকা বেশি। 5 strongest Muslim countries in the world

ইরান

5 strongest Muslim countries in the world

#মুসলিম দেশ গুলোর মধ্যে সামরিক শক্তিতে ২ নম্বর এ রয়েছে ইরান ।সামরিক শক্তিতে ইরান ক্রমেই উন্নতি করে যাচ্ছে । ইরানের এই উন্নতির ফলে ভয়ে ভয়ে দিন গুনছে এর প্রতি পক্ষ দেশ গুলো ।

তবে ইরান এর সামরিক শক্তি সম্পর্কে সুনিদিষ্ট কোনো তথ্য নেই । তবুও তাদের সামরিক শক্তির দর কত টুক তা বুজে নেয়ার উপায় রয়েছে । আমেরিকা বা ইজরাইলের সাথে ইরানের শত্রুতা সম্পর্কে আপনারা সবাই জানেই । ইরান যদি সামরিক শক্তিতে দুর্বল রাষ্ট্র হতো তবে এতো দিনে আমেরিকা এবং ইজরাইল মিলে ইরানকে দাবিয়ে দিতো ।

তবে ইরান এ তটা শক্তিশালী যে আমেরিকা ও চোখ তুলে তাকাতে ১০০ বার ভাবে । এ ছাড়া সৌদিআরব মধ্যেপাচ্ছ এক চাটিয়া শাসনের যে নীল নকশা এঁকেছে তা ইরান এর জন্য পারে না । ইরান আর বর্তমান সেনা সংখ্যা ৫০০০০০ লক্ষ|আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান তার ডোন সক্ষমতা কয়েক গুন্ বাড়িয়েছে । I.S জঙ্গির বিরুদ্ধে ২০১৬ সাল থেকে ইরাকে ডোন ব্যাবহার করে আসছে ইরান ।

২০১৯ সালে আমেরিকার একটা ডোন ভুপাতিত করে ইরান।তারা অভিযোক করে আমেরিকান ডোন ইরান এর আকাশ সীমায় ডুকে জায়ায় তা সেটাকে ভূপতিত করে । ২০২০ সাল সামরিক রিঙ্ক অনুসারে ইরান বিশ্বের ১৪ তম শক্তি ধর দেশ। ইরান পৃথিবীর এমন একটি দেশ যারা সবচেয়ে বেশি মার্কিন ডোন বিদ্ধস্ত করেছে । বর্তমান ইরান এর মোট জনসংখ্যা ৮৩০০০০০ লক্ষ । বর্তমান ইরানের সামরিক বাহিনী নানা রকম ভয়ানক অশ্র দ্বারা সমজ্জিত । ইরানের ট্রাঙ্ক রয়েছে ১৬৩৪ ।

বর্তমাবে ইরান অনেক ক্ষমতা সম্পূন্ন ট্রাঙ্ক নিজেরাই তৈরী করে । এত কিছু ছাড়া ও ইরানের রয়েছে রকেট প্রজেক্টর । সংখ্যা প্রায় ১৯০০ রকেট প্রজেক্টর রয়েছে ইরানের । ইরান এর বিমান বাহিনীতে মোট ৫০৯ টি এট্রাক্ট যুদ্ধ বিমান রয়েছে । অনেকের মতে ইরান মাটির নিচে বাঙ্কারে পারমানবিক বোমা তৈরী করছে । বর্তমানে পারমানবিক বোমার পরে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যন্ত্র হিসাবে ধরা হয় ডোন কে । আর ইরান নিজেরাই এট্রাক্ট ডোন তৈরী করতে সক্ষম ।

ইরানের তৈরী ডোন সম্পর্কে কোনো কিছু জানা যায়নি । তবে আমেরিকা যত বাড়ি তাদের ডোন পাঠিয়ে ইরানের তথ্য চুরি করতে চেয়েছে ইরান ততো বাড়ি তা মাঝ আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে । এ থেকে বোঝা যাই ইরান ডোন প্রযুক্তিতে কত টা এগিয়ে । ডোন ছাড়া ও ইরান এর মিসাইল কে সবাই ভয় পাই।

আরও পড়ুনঃ Honey H02 Flash File without password

আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান তার ডোন সক্ষমতা কয়েক গুন্ বাড়িয়েছে । I.S জঙ্গির বিরুদ্ধে ২০১৬ সাল থেকে ইরাকে ডোন ব্যাবহার করে আসছে ইরান । ২০১৯ সালে আমেরিকার একটা ডোন ভুপাতিত করে ইরান।তারা অভিযোক করে আমেরিকান ডোন ইরান এর আকাশ সীমায় ডুকে জায়ায় তা সেটাকে ভূপতিত করে । ২০২০ সাল সামরিক রিঙ্ক অনুসারে ইরান বিশ্বের ১৪ তম শক্তি ধর দেশ। ইরান পৃথিবীর এমন একটি দেশ যারা সবচেয়ে বেশি মার্কিন ডোন বিদ্ধস্ত করেছে । বর্তমান ইরান এর মোট জনসংখ্যা ৮৩০০০০০ লক্ষ ।

বর্তমান ইরানের সামরিক বাহিনী নানা রকম ভয়ানক অশ্র দ্বারা সমজ্জিত । ইরানের ট্রাঙ্ক রয়েছে ১৬৩৪ । বর্তমাবে ইরান অনেক ক্ষমতা সম্পূন্ন ট্রাঙ্ক নিজেরাই তৈরী করে । এত কিছু ছাড়া ও ইরানের রয়েছে রকেট প্রজেক্টর । সংখ্যা প্রায় ১৯০০ রকেট প্রজেক্টর রয়েছে ইরানের । ইরান এর বিমান বাহিনীতে মোট ৫০৯ টি এট্রাক্ট যুদ্ধ বিমান রয়েছে । অনেকের মতে ইরান মাটির নিচে বাঙ্কারে পারমানবিক বোমা তৈরী করছে । বর্তমানে পারমানবিক বোমার পরে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যন্ত্র হিসাবে ধরা হয় ডোন কে ।

আর ইরান নিজেরাই এট্রাক্ট ডোন তৈরী করতে সক্ষম । ইরানের তৈরী ডোন সম্পর্কে কোনো কিছু জানা যায়নি । তবে আমেরিকা যত বাড়ি তাদের ডোন পাঠিয়ে ইরানের তথ্য চুরি করতে চেয়েছে ইরান ততো বাড়ি তা মাঝ আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে । এ থেকে বোঝা যাই ইরান ডোন প্রযুক্তিতে কত টা এগিয়ে । ডোন ছাড়া ও ইরান এর মিসাইল কে সবাই ভয় পাই ।

পাকিস্তান,

বিশ্বের ৫ টি শক্তিশালী মুসলিম দেশ

মুসলিম শক্তিধর দেশ গুলোর মধ্যে ৩ নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান ।যদিও পাকিস্তানের এর আগের মতো তেজ নেই । তার পর যে কোনো প্রতিপক্ষের মনে ভয় ধরাতে তারা পটু । আর পাকিস্তানের বড় শত্রু হলো ভারত । ভারত পাকিস্তানকে দেখে জনের মতো ভয় পাই ।

পাকভারত সীমান্তে ভারত যদি এক জন সেনা মারে তার বিপরীতে পাকিস্তান ২ জন সেনা মারে । আর পাকিস্তানের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হলো চীন,আর পাকভারত যুদ্ধ হলে চীন সরাসরি পাকিস্তানকে সমর্থন করবে । বিশ্বের শক্তি শালী দেশ গুলোর তালিকায় ১৫ নম্বর এ রয়েছে পাকিস্তান ।

বর্তমানে পাকিস্তানের মোট সেনা সংখ্যা ৬৫৪০০০ এবং বর্তমানে পাকিস্তানের মোট পরমাণু সংখ্যা ১৫০-১৬০ টার মত। পাকিস্তানের প্রতি বছর সামরিক বাজেট ১১ বিলিয়ন ডলার। এছাড়াও পাকিস্তান ইলেকট্রিক ওয়ারফায়ার সক্ষম আর ইলেক্ট্রক ইলেকট্রিক ওয়ারফায়ার হল এই যুগের

সেরা অশ্র। ইলেকট্রিক এট্রাক দিয়ে পাকিস্তান বিমান, জাহাজ সাবমেরিন এবং টেংকের কানেকস ব্লগ করে দিতে পারে। এর ফলে বিমান গুলো রাউটার থেকে বিচ্ছিন্ন হয় যায় এবং শত্রুর সহজ শিকারে পরিণত হয়। এই ইলেকট্রিক ওয়ারফায়ার দিয়েই জাপান রাশিয়ার নেভিকে হারিয়ে ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। আর পাকিস্তানে এমন ইলেকট্রিক ওয়ারফায়ার রয়েছে কয়েকশত।

যার কারণে তারা অন্যান অস্রের দিকথেকে পিছিয়ে থাকলেও এদিকথেকে ভারতের চেয়ে অনেক গুন এগিয়ে আছে। আর একটি কথা শুধু অস্র থাকলেই যুদ্ধে যেটা যায়না। যেদেশের সেনা বাহিনী মরতে ভয়পায় সে দেশ কখনো যুদ্ধ জয়লাভ করে না। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জীবন দিতে রাজি কিন্তু দেশের কিছু হতে দিতে রাজি নয়। আর এ কারণে ভারত পাকিস্তানকে এত বেশি ভয় পায়।

সৌদি আরব,

5 strongest Muslim countries in the world

বর্তমান পৃথিবীর শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে সৌদি আরব। বর্তমানে অস্র কেনার দিকথেকে পৃথিবীর এক নাম্বারে রয়েছে সৌদি আরব। আমেরিকা ও চীনের পরেই সৌদি আরবের সামকির বাজার সর্বোচ্চ। অর্থাৎ রাশিয়ার থেকে বেশি অর্থ ব্যায় করে সৌদি আরব থাকে সামকির খাতে।

বর্তমানে মদ্ধপাচ্ছে যতগুলো দেশ রয়েছে তার মধ্যে সৌদি আরব সবচেয়ে বেশি আধুনিক ওএবং শক্তিশালী। প্রায় পোনেতিনশো বছর আগে ১৭৪৫ সালে সৌদির সামকির বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয় মোট ৪ লক্ষ ৮০ হাজার সেনা রয়েছে সৌদি আরবের হাতে।

গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার হিসাব অনুযায়ী সৌদি আরবের অবস্থান ১৭ নম্বরে। অর্থাৎ সামরিক শক্তিতে ইজরাইলের থেকেও এগিয়ে আছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের সামরিক বাজেট ৬৭. ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমেরিকাও আর চীন ছাড়া এতো বিশাল বাজেট আর কোন দেশের

নেই। সৌদির সেনাবাহিনীর সংখ্যা ২৫০ লাখের ও বেশি। সৌদি আরবের ব্যাবহারিত অস্রগুলো আমেরিকা ব্রিটেন এবং জার্মানের তৈরি। এসব ছাড়াও চীন পাকিস্তান সহ আরো হাপ ডর্জন দেশ থেকে অস্র কেনে সৌদি আরব। সৌদি আরবের হাতে রয়েছে ১০০০ টিরও বেশি যুদ্ধ ট্রাঙ্ক। আর মরুভূমিতে সৌদির অন্যতম শক্তি হচ্ছে আমেরিকার তৈরি এপাচি হেলিকাপ্টার।

এই এট্রাক হেলিকাপ্টারের পাশাপাশি ৩০০ এর বেশি এট্রাক ডোন রয়েছে সৌদি আরবে। অধিক অংশ ডোন চীনের তৈরি। মধ্যেপ্রাচ্যের মধ্যে সৌদি বিমান বাহিনীতে সবচেয়ে উন্নত বিমান রয়েছে। সবদিকে বিবেচনা করে সৌদির ধারের কাছে নেই কোন দেশ। সবচেয়ে অপচ্ছ এর বিষয় হচ্ছে এটা যে সৌদি আরবের থাকার পরেও না থাকার মত।

কারণ এত সব অস্র থাকার পরেও মুসলিমদের কোন কাজে আসেনা এগুলো। বরং মুসলিমদের হত্যা করতেই এসব অস্র বেশি ব্যবহার করে থাকে সৌদি আরব। এবং তারা বেধর্মীদের কাছথেকে অস্র কিনে তাদের আরো ধনী বানিয়ে দিচ্ছে।

মিশর,

5 strongest Muslim countries in the world

সামরিক দিক বিবেচনা করলে সবচেয়ে শক্তিশালী মুসলিম দেশ এর তালিকায় মিশর ৫ নম্বর এ রয়েছে । মিশর এর নীল নদের পাড়ে ফিরাউন শাষকদের হাতে মিসরীয় সভ্যতা গড়ে ওঠে । ফলে প্রাচীন কাল থেকেই মিশরীরা অনেক উন্নত জাতি ।

মাঝে ইজরাইল যুদ্ধে বিশাল দাক্ষা খেলেও আবার গুড়ে দাঁড়িয়েছে মিশর।বর্তমানে রাশিয়া সহ সব শক্তিশালী দেশ গুলোর সাথে সুসম্পর্কের জন্য খুব ভালো এগুচ্ছে মিশর। মিশ্র এ টুটাল সেনা সংখ্যা ৪৪০০০০ হাজার । মিশরের সেনা বাহিনীতে প্রায় ৪ হাজার যুদ্ধ ট্রাঙ্ক রয়েছে।এ ছাড়া মিশর এ রয়েছে মধ্যেপ্রাচ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনী ।

সামরিক শক্তি বুদ্ধিতে মিশর কখনো আপস করেনা । তবে মিশর এর এত শক্তি থাকলেও তা মুসলিম দেশ এর কোনো কাজে আসে না।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ১০ টি জাহাজ-Top 10 largest ships in the world

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.