September 22, 2021
বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

একবিংশ শতকের ২০ তম বছরে এসে বিজ্ঞানিক প্রজক্তির উৎকর্ষতার কারণে মানুষ অনেক কাজের জন্য রোবট এবং অল্টিভেশিয়ান ইন্টালিজেটেন্ট ব্যবহার করছে। অথচ এখনো পৃথিবীর কিছু এলাকায় নদী বা গিরিখাদ পাড়ি দিতে মানুষকে প্রাচীন আমলের আবিষ্কৃত পদ্ধতি ব্যবহার করে সেতুর সাহায্য নিতে হচ্ছে। মধ্যে সর্বোচ্চ দীর্ঘতম সেতু কোনটি তা নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড এর ব্যাবস্থাও রয়েছে। কিন্তু বিপদ জনক বা রোমাঞ্চকর সেতুগুলো নিয়ে কথা বাত্রা তা অভিজাত্ব মহলে শিমা বদ্ধ থাকে। মন এবং শরীরে এমন শিহরণ জাগানো বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতুর কথা জানাতেই আজকে আমাদের আয়োজন। তাই চলুন আর দেরি না করে সেই রোমাঞ্চকর সেতুগুলোর সম্পর্কে জেনে আসি।

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ১

হোসাইন ঝুলন্ত সেতু – Hussaini Hanging Bridge

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

হোসাইন ঝুলন্ত সেতু, হোসাইন ঝুলন্ত সেতুটি দেখলে মনে হবে এটা সম্ভব বিশ্বের সবচেয়ে বিপদ জনক সেতু। কিন্তু এটি মূলত উত্তর পাকিস্তানের পর্বত এলাকায় অবস্থিত একাধিক বিপদজনক সেতুগুলোর মধ্যে একটি। এই ঝুলন্ত সেতুর নিজদিয়ে কোন নদী বয়ে যায় না। তবে রডের উপরে অবস্থিত সেতুটি নিয়মিত দমকা বাতাসে প্রচুন্ড দুলা খায়। এবং এখানে নির্মিত সেতুটি তৃতীয় সেতু। কারোন কয়েক বছর আগে এখানে থাকা প্রথম সেতুটি বাতাসে বিধ্বস্ত হয়। সেই সেতুর ধ্বংসাবশেষ এখনকার সেতু দিয়ে পার হওয়ার সময় দেখতেও পারবেন। যা আপনার রোমাঞ্চ বাড়িয়ে দিবে। কাঠের তক্তা ব্যবহার করে এই সেতুটির পাটাতন তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু এক একটি পাটাতনের মাঝে যে ফাঁক রাখা হয়েছে তাতে একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষও গড়ে পরে পারে। আর সেতু পার হওয়ার সময় যদি দমকা বাতাস বয়ে যায় তবে বিপদ আরো বেড়ে যায়। এই বিপদ উপেক্ষা করে নিয়মিত ইস্তানিও বাসিন্দারা জীবনের তাগিদে এই সেতু পারাপার করছেন।

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ২

কিসওয়াচাকা,- Q’eswachaka

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

কিসওয়াচাকা, কিসওয়াচাকা শব্দটি ইংকা ভাষার অর্থ দড়ির সেতু। নামশুনে বিশ্বাস না হলেও সামনা সামনি দেখলে বুঝতে পারবেন কেন এটাকে দড়ির সেতু বলা হচ্ছে। সেতুটি পুরোপুরি দড়ি দিয়ে বানানো। সেই দড়ি আবার স্থানীয় এক প্রজাতির ঘাষ শুকিয়ে বানানো হয়। এই সেতুটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর একটি পার্বত্য নদীর উপর স্থাপিত। এই নদীটি পার হওয়ার জন্য এর কাছে আধুনিক প্রযোক্তি ব্যবহার করে নির্মিত একটি সেতু রয়েছে। কিন্তু স্থানীয়রা তাদের ইংকা ঐতিহ্যর প্রতি শ্রদ্ধ জানাতে প্রাচীন প্রযোক্তি ব্যবহার করে প্রতি বছর সেতুটি তৈরী করেন। বছরের একটা সময় স্থানীয় বাসিন্দারা সবাই এই সেতুটির নির্মাণের কাজে শ্রম দেন। কাজটা তারা করেন সেচ্চাসেবী হিসেবেই। কোনো মজরি ছাড়া। কারণ তাদের বিশ্বাস এই কাজের মাধ্যমে তারা তাদের পূর্ব সরীদের বিদিহী আত্মার প্রতি সন্মান জানাচ্ছেন। সেতুটি নির্মাণের সময় প্রতি বছর বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে নাচ ও গানের মাধ্যমে এই অর্জন উজ্জাপন করেন আদিবাসীরা। দড়ি দিয়ে তৈরী সেতুটির দর্ঘ ৩৮ মিটার বা ১৫০ ফিটের কাঁচা কচি। স্থানীয়রা সেতুটি দিয়ে আনন্দের সাথে পারি দিয়ে থাকেন।

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ৩

আই পেট্রি সেতু, AI Petri Bridge

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

আই পেট্রি সেতু, আই পেট্রি সেতুটির অবস্থা পূর্ব ইউরোপের দেশ ক্রাইমিয়ার পার্বত্য এলাকায়। এই সেতুটি যে গিরিখাদের উপর স্থাপিত তার উচ্চতা প্রায় ১২৫০ মিটার। বা ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সোয়া ১ কিলোমিটার উপরে। এতো উঁচু তে সেতুটি বানানো হয়েছে মূলত অভিজাত্যের রোমাঞ্চ খুঁজে বেড়ানোর মানুষের
মনোরঞ্জনের জন্য। ইংরেজি ভি অক্ষর টির আকৃতি বিশিষ্ঠ সেতুটি মোট ৪৫ মিটার দর্ঘ। তবে সেতুর দই অংশে দই রকম বৈশিষ্ঠ রয়েছে। প্রথম অংশটি সমান্তরাল। কিন্তু ভারসাম্য রক্ষার সাহায্যের জন্য তাতে কোন হাতলের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। আর দ্বিতীয় অংশে হাতল থাকলেও তা খাড়া উপরের দিকে উঠে গেছে। অত্যাধোনিক প্রযোক্তি ব্যবহার করে এই সেতু তৈরী করা হলেও এর পাটাতনের ফাঁক দিয়ে কেউ পরে গেলে তার প্রাণ হানির আশংকা নিশ্চিত। তাই বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে এই সেতু পারি দিতে যাত্রী দেড় সেফটি লাইন বেঁধে নিতে হয়। যা সেতুর হাতলের সাথে যুক্ত করে দেয়া হয়। ফলে কেউ পরে গেলেও তা প্রাণ ঘাতী হবে না।

 

আরও পড়ুনঃ বিশ্বের সবচেয়ে অত্যাধুনিক ৯টি রোবট

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ৪

টিটলেস পাহাড়ের সেতু,- Titlis Cliff Walk.

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

টিটলিস পাহাড়ের সেতু, ডিটেলস ক্লিক নামে পরিচিত এই সেতুটি সাসপেনশন প্রযোক্তি ব্যবহার করে নির্মিত বিশ্বের সবচেয়ে সর্বোচ্চ সেতু। সুইজারল্যান্ড এ অবস্থিত এই সেতুটি আল্প্স পর্বতের নয়নে অভিরাম সুন্দর্য দিয়ে ঘেরা। এই রিসোর্ট এই বিশ্বের প্রথম কেবল গার্ড চালু করা হয়ে ছিল। ১৯১৩ সালে সেই ঘটনা শত বর্ষ উজ্জাপন উপলক্ষে ২০১২ সালে ডিসেম্বর মাসে এই সাসপেনশন সেতুটির উদ্ভোদন করা হয়। ডিসেম্বর মাস হওয়ায় আল্প্স এর আবহাওয়া বেশ বেড়ে ছিল। যার ফলে সেতুর উদ্ভোদন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে উপস্থিত হওয়া ৫০ টি দেশের প্রতিনিধিরা ভীষণ প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখে পড়েন। প্রত্যক্ষ দর্শীদের ভার্স অনুযায়ী সেদিন ঘন কুয়াশার কারণে কয়েক হাত দূরে কিছু দেখা যাচ্ছিলো না। তাই ১০০ মিটার লম্বা এই সেতুটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার মিটার বা ৩ কিলোমিটার উপরে অবস্থিত। এই উচ্চতায় সেতুটি নির্মাণের সময় কাঁচা মাল সরবরাহ একটি দুরহ কাজে পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত হেলিক্যাপটর মাধ্যমে সেতুর স্প্যাংগুলো এখানে নিয়ে আসা হয়। তবে হেলিক্যাপটর বহনের সুবিধার্থে স্প্যাংগুলোর প্রস্থ রাখা হয় দেড় মিটার। প্রথম দেখায় সেতুটিকে ভীষণ নড়বড়ে মনে হতে পারে। কিন্তু নির্মাতাদের হিসেবে অনুযায়ী এটি সর্বোচ্চ সাড়ে ৪০০ টন ভার বহনের সক্ষম। গড়ন হালকা পাতলা হলেও সেতুটি তৈরী করা হয়েছে সর্বাধুনিক প্রযোক্তি এবং কাঁচা মাল ব্যবহার করে। যার ফলে সেতুটি সর্বোচ্চ ঘন্টায় ১৯০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া দমকা বাতাসের জাপটাতেও ক্ষতিগ্রস্থ হয় না। পাশাপাশি ভারী তুষারপাতেও এটি অটল থাকে। সেতুটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত খুলে দেয়ার পর অচিরেই ভীষণ জনপ্রিয় হয় ওঠে। উদ্ভোদনের প্রথ সপ্তাহেই ৫০০ দর্শমনার্থী সেতুটি ঘুরে দেখেন।

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ৫

ট্রিফট সেতু,- Trift Bridge.

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

ট্রিফট সেতু, আমাদের তালিকায় সেতুটি সুইজারল্যান্ড এই অবস্থিত। সুইজারল্যান্ড এর ব্র্যান্ড কান্ট্রিতে অবস্থিত এই সেতুটি আমাদের তালিকায় অন্য সেতুগুলোর মত তেমন পুরোনো নয়। ২০১৪ সালে প্রথমে সেতুটি তৈরী করে একটি বহু জাতিকে প্রতিষ্ঠান। ট্রিফট হীন বাহির তলদেশে খনিজ পদার্থ অনুসন্ধানের কাজ করছিলো প্রতিষ্ঠান টি। সে সময় তাদের কর্মী পারাপারের জন্য ঝুলন্ত সেতুটি তৈরী করেন তারা। এর ৫ বছর পর সেতুটির সংস্কার করা হয়। তখন জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করতে সেতুটি আরো শক্ত পোক্ত করা হয়। তার পরেও ১৭০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি বিশ্ব ব্যাপী একটি বিপদ জনক সেতু হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে। কারণ সেতুর তলদেশে বয়ে যাওয়া জল ধারটি ১০০ মিটার নিচে অবস্থিত। পাহাড়ি এলাকায় এতো উঁচুতে অবস্থান হওয়ায় দমকা বাতাসে সেতু পারাপার প্রায় বিপদ জনক কাজে পরিণত হয়। নিরাপত্তার জন্য অভিযাত্রীদের শুধু শান্তি আবহাওয়া মধ্যে সেতুটি পারাপারের অনুমতি দেয়া হয়

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ৬

ক্যাপিলানো সাসপেনশন সেতু, -Capilano Suspension Bridge Park.

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

ক্যাপিলানো সাসপেনশন সেতু, ক্যাপিলানো ঝুলন্ত সেতুটি কানাডার ভ্যানকুভার প্রদেশে অবস্থিত এই সেতুটি যেমন বিপদ জনক তেমনি নয়নাভিরাম। সেতুটি অতিক্রমের সময় আপনার মনে হবে হটাৎ করে যেন রূপকথার রাজ্যে এসেছেন। চারপাশে পাহাড় আর সবুজে ঘেরা এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর সময় ভুলে পারেন সেতুটি বিপদ জনক ও বটে। কারণ ১১৪ মিটার লম্বা এই সেতুটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭০ মিটার উঁচুতে স্থাপিত। আর পাহাড়ের সাথে সেতুটি সংযুক্ত আছে স্ট্রেট দুই জোড়া তারের মাধ্যমে। এর দুই প্রান্তেই এক জোড়া করে স্পটের মোটা তার নাট বল্টু ব্যবহার করে পাহাড়ের পাথরের গায়ে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেয়। নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী এই সেতু এক সাথে ৯৬ টি পূর্ণ বয়স্ক হাতির ভর বহনের সক্ষম। এখানে এর আগে ১৮৮০ সালে একটি ঝুলন্ত সেতু করেন স্থানীয় এক প্রকৌশলী। পরে ১৯৫৬ সালে তা বর্তমান সেতুতে বদলে ফেলা হয়। এই সেতুটি ব্যাক্তিগত জমিতে হওয়ায় এটি পরিদর্শনে আপনাকে অর্থ খরজ করতে হবে। তবে খরজ হওয়ার্থে পুরোটাই উসুল হয়ে যাবে।

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ৭

ক্যারিকা এ রিড দড়ির সেতু, – Carrick-a-Rede.

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

ক্যারিকা আই রিড ঝুলন্ত সেতুটি উত্তর আয়ারল্যান্ড মূল ভূখণ্ড কে ছোট্ট একটি দ্বীপের সাথে সম্পৃক্ত করেছে। মাত্র ১৩ মিটার লম্বা এই সেতুটি। বর্তমানে পুরোপুরি পর্যটনের কেন্দ্র হলেও স্থানীয় লোকের কথা অনুযায়ী ৩৫০ বছর আগে এই দ্বীপের সৈকতে প্রচুর পরিমানে স্যামন মাছ পাওয়া যেত। তাই জেলেরা দ্বীপটিতে যাওয়ার জন্য দড়ি দিয়ে একটি সেতু তৈরী করে। মাছ ধরার ঋতুতে তাদের এই সেতুটি পূনর নির্মাণ হত। গত শতকের প্রথম দিকে এখানে স্যামন এর আনাগোনা কমেগেলে সেতুটির গুরুত্ব কমে যায়। তবে সম্পত্তি উত্তর আয়ারল্যান্ড এর সবচেয়ে সুন্দর এই পর্যটন কেন্দ্রের পুরুস্কার জিতে নেয় এই অঞ্চলটি। যারপর সেতুটি সংস্কারের বিপুল অংকের অর্থ ব্যায় হয়। যার সুবাধে সেতুটি উদ্ভোদনের পর প্রথম বছরেই প্রায় ৫ লক্ষ পর্যটক এখানে ঘুরতে এসে ছিলেন। সবচেয়ে ভয়ংকর

সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু – ৮

বানর সেতু ,- Monkey bridge.

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ৮ টি সেতু

বানর সেতু , দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম দক্ষিণ অঞ্চলে রয়েছে বিশ্বের বৃত্তম নদীগুলোর একটি। মেকং নামের এই নদী ভিয়েতনাম ছাড়াও থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে দক্ষিণ প্রত্যন্ত এলাকায় বেশকিছু সেতু আছে এগুলো পর্যটকদের কাছে বানর সেতু নাম পরিচিত। কারিনা শুধু একটা বাঁশ দিয়ে তৈরী পাটাতনের এসব সেতু দেখে মনে হবে এগুলো কেবল বানরের পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব। তবে স্থানীয়রা এসব সেতু বছরের পর বছর ব্যবহার করে আসছে। তাদের দেখে ইদানিং পর্যটকরাও এসব সেতু ব্যবহারের সাহস জোগাড় করছেন। এই সেতুগুলো স্থানীয় ঐহ্যোগে তৈরী করা হয়েছে। পচনশীল দ্রব্য ব্যবহার করে বানানোর ফলে রোদ বৃষ্টিতে প্রায় এগুলো ভেঙ্গে পরে। তখন করে এগুলো তৈরী করতে হয়।

যদি কোনো ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ আপনাকে আর্টিকেলটি পরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন বিদায় নিচ্ছি আজকের মত আল্লাহ্‌ হাফেজ।

আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন ( Flashfilex.com ) এর সাথে । যুক্ত হতে – এখানে ক্লিক করুন

এই ছিল আমাদের আজকের আয়োজন আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। এ রকম আরও ভালো কিছু পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আর এতক্ষন সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। সেই সাথে আমাদের কন্টেন্ট যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক ,কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না। আল্লাহ হাফেজ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.