September 22, 2021
How to viral videos on youtube

ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল করার সবচেয়ে সহজ উপায় – How to viral videos on youtube

আসসালামু আলাইকুম আমি আফরান আছি আপনাদের সাথে আশা করি সবাই ভালো আছেন। ইউটিউবে ভিডিও তে কিভাবে বেশি ভিউস আসবে, ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল করবো কি ভাবে, চ্যানেলে বেশি বেশি সাবস্ক্রাইবার আনবো কিভাবে। এই বিষয় গুলো নিয়ে আমাদের চিন্তার শেষ নেই। তবে সত্যিকার অর্থে ইউটিউবে এমন অপশন নেই,

যে অপশন চালু করার মাধ্যমে ভিডিওতে বেশি বেশি ভিউস আসবে বা চ্যানেলে বেশি বেশি সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যাবে। কিন্তু এমন কিছু বিষয় তো আছে যে বিষয়  গুলো অনুসরন করলে অনেক বেশি ভিউস আসতে পারে এবং ভিডিও ভাইরাল হতে পারে । ইউটিউব প্লাটফর্মে অনেক যাবত কাজ করার মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল করা, বেশি বেশি ভিউস আশার পিছনে বেশ কিছু কারন রয়েছে। আমি চেস্টা করবো আমার অবিজ্ঞতা থেকে আমি যা জানতে পেরেছি তা তুলে ধরতে।

যদি আপনি ইউটিউব প্লাটফর্ম কে কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করতে চান তাহলে এই পোস্টটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে আপনার জন্য তাই অবশ্যই মনোযোগসহ কারে পোস্টটি পড়ার অনুরোধ রইলো ।

ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল বা চ্যানেল ভাইরাল কে আমি ২ টা ভাগে ভাগ করেছি

#1 Already Viral  #2 Suddenly Viral

এখন বলতে পারেন Already Viral কেমন, উদাহরণস্বরূপ (মিজানুর রাহমান আজারী) তিনি যখন একটি ইউটিউব চ্যানেল খুললেন তখন কিন্তু তার কোন ভিডিও এর প্রয়োজন পরেনি। ভিডিও ছাড়াই তার চ্যানেলে লাখ লাখ সাবস্ক্রাইবার চলে এসে ছিল কারন তিনি জনপ্রিয় একজন বাক্তি। এমন কোন জনপ্রিয় বাক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইউটিউব চ্যানেল খুললে সেই ইউটিউব চ্যানেলটা অলরেডি-ভাইরাল।

এবার Suddenly Viral – আমরা যারা আমজনতা আছি যাদের কেও চিনে না যাদের কোন পরিচিতি নেই আমরা হতভাগার মত ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করেই যাচ্ছি। এবং অনেক ভিডিও আপ লোড করার পর একটা সম্ভাবনা তৈরি হয় ভিডিও ভাইরাল হওয়ার

ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল

ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল করার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু  পয়েন্ট

1. Channel Category

2. Content Quality

3. Upload Time

4. Watch  Time

5. Trending Topic

1. Channel Category – পাঁচ নাম্বারে যে টপিক টা রয়েছে এটা প্রথমে থাকার কথা কারন এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ টপিক, ভিডিও ভাইরাল করার জন্য Trending Topic খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই টপিক টাতে একটু পরে আসি । আমাদের প্রথম যে পয়েন্ট যেটা ছিল Channel Category। হয়তো আপনি একটি টেক চ্যানেল খুললেন কিন্তু সেই চ্যানেলে আপনি সব ধরনের ভিডিও আপলোড করছেন যেমন  রান্না বান্না, খেলাধুলা, মিউজিক, ফান ইত্যাদি এতে করে আপনার চ্যানেল বা চ্যানেলের ভিডিও রাঙ্ক করার সম্ভাবনা খুবই কম, আপনি সব সময় চেষ্টা করবেন আপনার চ্যানেল মেইন্টেন করার।

ধরুন আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ১০টি ভিডিও আপলোড করলেন এর মধ্যে ৯টি ভিডিও যেন আপনার চ্যানেল রিলেটেড হয়, বাকি একটা ভিডিও অন্য যে কোন ধরনের দিলে সমস্যা নাই।

2. Content Quality – কনটেন্ট কোয়ালিটি নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক ভুল ধারনা রয়েছে আমরা অনেকেই মনে করি যে কনটেন্ট কোয়ালিটি মানে ভিডিওর কোয়ালিটি ভালো হতে হবে। কিন্তু বিষয় তা নয় আপনি মোবাইল দিয়ে যদি ৭২০পিক্সেলের রেকর্ড করা ভিডিও আপলোড করেন তাও আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যদি আপনার ভিডিওর টপিক ভালো হয়, যদি আপনার ভিডিওর সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো হয় এবং যদি থাম্নাইল ভালো হয়। একটা ভিডিও তে মানুষ ক্লিক করে ভিডিওর থাম্নাইল এবং ভিডিওর টাইটেল দেখে এই দুইটা জিনিস যদি আপনি ভালো করতে পারেন তাহলে সেই ভিডিওটা ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক অংশে বেড়ে যায়।

 

আরও পড়ুনঃ Top 5 Popular Apps in The World | বিশ্বের শীর্ষ ৫ টি জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন

ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল

3. Upload Time – আমাদের ৩ নাম্বার টপিক হল আপলোড টাইম এই টপিক নিয়ে কথা বলার আগে উপরে ইমেজটা ভালো করে দেখেন। ইমেজটার উপরে লাইনটা লক্ষ্য করুন দেখতে পাচ্ছেন দিন কে ভাগ করা অর্থাৎ শনিবার, রবিবার, সোমবার এবং পাশে যে লাইনটা গেছে এটা সময় কে ভাগ করা। এবার পিকটার মধ্যে কিছু যায়গায় হালকা রং এবং কিছু যায়গায় গাড়ো রং যে যায়গা গুলো গাড় রং দেখতে পাচ্ছেন সেই সময় আপনার চ্যানেলে বেশি মানুষ একটিভ থাকে অর্থাৎ আপনার চ্যানেলের ভিডিও বেশি দেখা হয় এই সময় গুলো তে ।

অন্য দিকে যে সময় গুলোতে হালকা রং দেখতে পাচ্ছেন সেই গুলোতে আপনার চ্যানেলের ভিডিও কম মানুষ দেখে। এর মানে হল আপনি যদি এমন একটা সময় ভিডিও আপলোড করেন যে সময় অনেক বেশি মানুষ একটিভ ইউটিউবে, তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওটা ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।

এবার যে বিষয়টা খেয়াল করতে হবে সেটা রেগুলার আপনি রাত ৮ টায় ভিডিও আপলোড করবেন সেটা ঠিক আসে কিন্তু আপনাকে রেগুলার ভিডিও আপলোড করতে হবে। যেমন প্রতিদিন যে আপলোড করতে হবে এমন কিন্তু নয়, সপ্তাহে দুইটা ভিডিও আপলোড করতে পারেন বা আপনি যদি খুব বেশি আপলোড করতে চান ৪টা করে ভিডিও আপলোড করতে পারেন আপনি যাই করেন বা যেটাই করেন আপনাকে সময় টা মেইন্টেন করতে হবে।

এতে করে সবাই একটা ধারনা পাবে আপনার চ্যানেল সমন্ধে যে প্রতিনিয়ত এই সময় ভিডিও আপলোড করেন। তারা ঠিক ঐ সময় আপনার চ্যানেলের ভিডিও দেখতে আসবে। তাই সব শেষে বলবো ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল করার জন্য Upload Time মেইন্টেন করবেন।

ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল

4. Watch  Time – আমাদের ৪ নাম্বার পয়েন্ট হচ্ছে ওয়াচ টাইম, ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল করার জন্য এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ । উপরে যে পিকটা দেখতে পাচ্ছেন সেখানে যে ভিডিও টা আছে সেটা ১২ মিনিট এর একটা ভিডিও Avarage ভিউ ৪.৩৮ মিনিট। ধরুন আপনি ৩ মিনিটের একটা ভিডিও আপলোড করলেন সেই ভিডিওটা যদি মানুষ ক্লিক ৫ সেকেন্ড দেখে ফিরে যায় তাহলে সেই ভিডিওটা কি ভাইরাল হবে? ইউটিউব কি সেই ভিডিওটা রাঙ্ক করাবে।

এবার ৩ মিনিটের একটা ভিডিও যদি ১.৩০ মিনিট বা তার বেশি সময় ধরে মানুষ দেখে তাহলে ইউটিউব বুঝবে এই ভিডিওটা খুব গুরুত্বপূর্ণ এই ভিডিও থেকে মানুষের বুঝার বা শেখার আছে, সেই ভিডিও টা ইউটিউব নিজে থেকে রাঙ্ক করানোর চেষ্টা করবে। তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন ভিডিওর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রাখতে এবং ভিডিও টা যেন বোরিং না হয়, মানুষ যেন বেশি সময় ধরে দেখে সেই ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  ফেসবুকের দিন কি শেষ? – Facebook vs Apple War!

 

5. Trending Topic – এবার আমাদের মেইন পয়েন্ট ট্রেন্ডিং টপিক। ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল করার জন্য এই টপিক এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে এই পয়েন্ট টা কাজে লাগিয়ে আমি আমার ভিডিও তে প্রচুর ভিউস এবং এনেছি। আপনি যদি এমন কোন টপিক খুজে বের করতে পারেন যে মানুষ খুব বেশি দেখবে আগ্রহ নিয়ে বসে আছে শুধু আপনি ভিডিও করে দিবেন তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যেমন আমাদের দেশে বা অন্য কোন দেশে কোন কোন বিষয় সব সময় টপে থাকে। ধরুন আপনার চ্যানেল এডুকেশন রিলেটেড যখন SSC রেজাল্ট বা Hsc রেজাল্ট দেয় তখন যদি আপনি রেজাল্ট রিলেটেড ভিডিও করতে পারেন।

যেমন কিভাবে আমি SSC রেজাল্ট দেখবো বা Hsc রেজাল্ট দেখবো মার্কশিট সহ তাহলে কিন্তু সেই ভিডিও টা সার্চে অবশ্যই দেখাবে এবং সেখান থেকে আপনার ভিডিও টা দেখার সম্ভাবনা যেমন ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা থিক ততো টুকু। সুতরাং আপনাকে বুঝতে হবে কোন সময় কোন বিষয় টা টেন্ডিং আছে এবং কোন ধরনের ভিডিও আপলোড করলে ভাইরাল হতে পারে এগুলো নিয়ে আপনাকে রিসার্চ করা লাগবে তাহলে আপনি ট্রেন্ডিং টপিক গুলো খুঝে বের করতে পারবেন।

সময় খুজে বের করতে পারবেন বের করতে পারবেন এই টপিক এবং সময় নিয়ে যদি আপনি ফাইন্ড করতে পারেন এবং সেটার উপর নির্ভর করে যদি ভিডিও আপলোড করতে পারেন আর বাকি যে পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করলাম এই টোটাল বিষয় গুলো ঠিক রাখতে পারেন তবে আপনার ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক অংশে বেড়ে যাবে ইনশাআল্লাহ

তো এই ছিল আজকের পোস্ট যেখানে আমি আলোচনা করেছি ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল নিয়ে আশা করি আপনাদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছি । আশা করি পোস্টটি ভালো লেগেছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানতে ভুলবেন না। এই রকম আরও পোস্ট পেতে চাইলে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পোস্ট গুলো যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে, অনুগ্রহ করে আমাদের পোস্ট গুলি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

>>> ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে। যুক্ত হতে – এখানে ক্লিক করুন

যদি কোনো ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ক্ষমা সন্দুর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ আপনাকে আর্টিকেলটি পরার জন্য ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন বিদায় নিচ্ছি আজকের মত আল্লাহ্‌ হাফেজ।

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.